কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬ এ ০৫:১০ PM
কন্টেন্ট: সিটিজেন চার্টার প্রকাশের তারিখ: ২৩-০৫-২০২৬
ভূমিকাঃ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন স্থানীয়সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সমুহকে কারিগরী সহায়তা প্রদান, পল্লী ও শহরাঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণসহ ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদউন্নয়নের মাধ্যমে দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগসৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখছে। একটা সময় ছিল যখন বাংলাদেশে গ্রামীন এলাকার যোগাযোগ অবকাঠামো ছিল অত্যন্ত নাজুক । আজ এলজিইডির মাধ্যমে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ডেরমাধ্যমে দেশের সবর্ত্র গ্রামীণ যোগাযোগের ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে।আজ গ্রামের উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করণ ও পরিবহন সুবিধা বৃদ্ধি পেয়ে কৃষকদের উৎপাদিতপন্যের ন্যায্য মূল্যে প্রাপ্তি নিশ্চিত হচ্ছে। এছাড়াও পরিবেশের ভারসাম্য সংরক্ষণ ওদারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে সরকারের জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে ও এলজিইডি গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করছে। বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থয়নে ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সহায়তায় এলজিইডি বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
সিটিজেন চার্টার হল জনগণের সেবা পাওয়ার অধিকারের লিখিতসনদ। এর মাধ্যমে জনসাধারণের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটিয়ে বিদ্যমান সেবাসমুহের মান উন্নয়নেরসুযোগ সৃষ্টি হয় । সিটিজেন চার্টারের মাধ্যমে সেবা গ্রহনকারিদের যথাসময়ে সেবা প্রদাননিশ্চিতকরা হয়। সেবা প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের কর্মকান্ডের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও প্রশাসনেরগতিশীলতা বৃদ্ধি পায় । সিটিজেন চার্টারের মাধ্যমে সেবা গ্রহণকারী ও প্রদানকারীর মধ্যেপারস্পরিক আস্হা বৃদ্ধি পায় ।
এলজিইডি’র মূখ্য দায়িত্বাবলীঃ
এলজিইডি’র খাতওয়ারী প্রধান প্রধান কর্মকান্ডঃ
গ্রামীণ অবকাঠামোঃ
নগর অবকাঠামোঃ
ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়নঃ
এলজিইডি’র প্রশাসনিক স্তরঃ
এলজিইডি’র বিস্তৃত কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য নিম্নবর্ণিত উপায়ে প্রশাসনিক নেটওয়ার্কসারাদেশে বিস্তৃত আছে
এলজিইডি’র প্রধান প্রকৌশলী দাপ্তরিক প্রধান হিসাবে আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭অবস্হিত সদর দপ্তরে এলজিইডি দপ্তর পরিচালনা করছেন। তাছাড়া সদর দপ্তরে ৪জন অতিরিক্তপ্রধান প্রকৌশলী, ৭জন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, ১৭জন নির্বাহী প্রকৌশলীসহ মোট ১৪৬জন কর্মকর্তাকর্মচারী বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত আছেন ৷ সদর দপ্তরে এলজিইডি’র কর্মকান্ড নিম্নবর্ণিতইউনিটের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকেঃ
এলজিইডি’র কর্মকান্ড সারাদেশে ১০টি অঞ্চল যেমন, ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা এবং ফরিদপুর অঞ্চলের মাধ্যমে বিস্তৃত৷ প্রতিটিঅঞ্চলের দায়িত্বে রয়েছেন একজন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী । প্রতিটি অঞ্চলে তত্ত্বাবধায়কপ্রকৌশলীর অধীন নির্বাহী প্রকৌশলী এবং সহকারী প্রকৌশলীসহ মোট ৮জন কর্মকর্তা কর্মচারীরয়েছেন-যারা অঞ্চলের আওতাভূক্ত জেলার ন্যস্ত প্রশাসনিক দায়িত্বসহ এলজিইডি’র কর্মকান্ডমনিটরিং ও তদারকী করে থাকেন;
৬৪টি জেলার প্রতিটি জেলা সদরে নির্বাহী প্রকৌশলীর নেতৃত্বে ২জন সহকারী প্রকৌশলীসহ মোট১৩জন কর্মকর্তা/কর্মচারী জেলার সকল এলজিইডি’র কর্মকান্ড পরিচালনা করছেন । তাছাড়া বৃহত্তরজেলায় ১জন মেকানিক্যাল প্রকৌশলী রয়েছেন;
৪৯৫ টি উপজেলার প্রতিটিতে উপজেলা প্রকৌশলীর নেতৃত্বে সহকারী উপজেলা প্রকৌশলীসহ মোট১৯জন কর্মকর্তা/কর্মচারী উপজেলা পরিষদের উন্নয়ন কার্মকান্ড ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মকান্ডপরিচালনাসহ এলজিইডি’র কার্মকান্ড পরিকল্পনা ও তদারকারীতে নিবার্হী প্রকৌশলীকে সহযোগীতাকরে থাকেন।